তিন সিটি কর্পোরেশনে
আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে
সামনে রেখে মোবাইল রিচার্জের
ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে
বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক খাতের
এই নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে,
নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন রাত
১২টা পর্যন্ত মোবাইলে ১০০০ টাকার
বেশি রিচার্জ কিংবা কোন ধরণের
লেনদেন করা যাবে না।
আজ এ নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ
ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি
করেছে। আর এর মাধ্যমে মোবাইল
সার্ভিস প্রোভাইডার, ব্যাংক এবং
ব্যাংকের সহযোগী
প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এ নির্দেশনা
জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, আগামীকাল রাত ১২ টা
পর্যন্ত বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং
সেবা ব্যবহার করে ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট
কিংবা অন্য কোনভাবেই ১০০০ টাকার
বেশি লেনদেন করা যাবে না।
রিচার্জের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত
প্রযোজ্য হবে।
এ সিদ্ধান্ত সারা দেশের জন্যই
কার্যকরী হবে।
Monday, April 27, 2015
নির্বাচন সামনে রেখে ১০০০ টাকার বেশি রিচার্জ ও লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা!
Tuesday, April 21, 2015
বাংলাদেশে ফেসবুকের ফ্রি ইন্টারনেট অনিশ্চিত!
বহুল কাংখিত ফেসবুকের
ফ্রি ইন্টারনেট সেবা বাংলাদেশে
আজ মঙ্গলবার চালু হওয়ার কথা থাকলেও
শেষ পর্যন্ত অনিশ্চয়তায় পড়েছে
পকল্পটি। রবি ছাড়া দেশের সবগুলো
মোবাইল ফোন অপারেটরদের
অপারগতা এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থা
বিটিআরসির এ সংক্রান্ত সম্পূর্ণ
গাইডলাইন না প্রকাশ করাকেই কারণ
হিসেবে বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র
বলছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আজ ২১
এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০
মিনিটে ইন্টারনেট ডট অর্গ
(www.internet.org )-এর প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন করার কথা ছিল ফেসবুকের
ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিসের।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল
(বিসিসি) ভবনে তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে
আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও
উপস্থিত থাকার কথা ছিল ইন্টারনেট
ডট অর্গ প্রকল্পের পণ্য বিপণন বিভাগের
প্রধান ড্রু ট্রং এবং ফেসবুক ইন্ডিয়ার
পরিচালক আঁখি দাসের। এ জন্য গতকাল
সোমবার রাতেই বাংলাদেশে
এসেছেন ড্রু ট্রং। মূলত 'ফ্রি ইন্টারনেট'
প্রকল্প চালুর জন্যই তার ঢাকা সফর। তবে
মূল কর্মসূচি চালু না হওয়ায় এ সময় তিনি
'ফ্রি ইন্টারনেট' সেবার পার্টনার
প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা
এবং নতুন পার্টনারের অনুসন্ধান করবেন
বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, 'ফ্রি ইন্টারনেট' চালুর সব
প্রক্রিয়া গুছিয়ে আনার পরও সংশ্লিষ্ট
পক্ষগুলো বিশেষ করে
মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর
অসহযোগিতা এবং অনাগ্রহের
কারণে ঘোষণা দিয়েও নির্দিষ্ট
দিনে 'ফ্রি ইন্টারনেট সেবা' চালু
করা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও আগেই জানা
গিয়েছিল, কেবল মোবাইল অপারেটর
রবি ইন্টারনেট ডট অর্গ প্রকল্পের সঙ্গে
কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কিন্তু
অন্য অপারেটররা এখনও এ বিষয়ে
কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। সংশ্লিষ্ট
একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে,
মোবাইল অপারেটরগুলো 'বিজনেস
মডিউল'-এর কথা চিন্তা করে ইন্টারনেট
ডট অর্গ প্রকল্পে যেতে তাদের আপত্তি
ও অনাগ্রহের কথা জানিয়েছে
বিটিআরসির চেয়ারম্যানের কাছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল
কান্তি বোস যদিও এখনও চূড়ান্ত
সিদ্ধান্তর কথা জানাননি। এ মুহূর্তে
তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকায় তার
মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এর আগে
ইন্টারনেট ডট ওআরজি প্রকল্পের একটি
টিম বাংলাদেশে 'প্রকল্পটি চালুর
বিষয়ে' কাজ করে যায়। ওই কাজের
তদারকি করেন প্রকল্পের দক্ষিণ-পূর্ব
এশিয়ার সমন্বয়কারী দিপ্তি গোরে।
টিমটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের
একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প, ২০টি
এনজিও, দুটি জাতীয় দৈনিক,
মোবাইলফোন অপারেটরসহ আরও
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা
বলে। প্রতিষ্ঠানগুলো বিনামূল্যে
ইন্টারনেট সেবা চালুর ব্যাপারে
ইতিবাচক সিদ্ধান্তের কথা জানায়
ইন্টারনেট ডট ওআরজি কর্তৃপক্ষকে।
এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনের চিফ
করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার
মাহমুদ হোসেইন জানিয়েছেন,
ইন্টারনেট ডট অর্গ প্রকল্পের সঙ্গে
গ্রামীণফোনের আলাপ-আলোচনা
চলছে। আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থা
বিটিআরসির কাছে 'রেগুলেটর
ক্ল্যারিটি' চেয়ে চিঠি দিয়েছি।
বিটিআরসির কাছ থেকে জবাব
পাওয়ার আগে আমরা এ বিষয়ে কোনও
পদক্ষেপ নিতে পারব না। আরেক
অপারেটর বাংলালিংক বলছে,
বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান
ভিম্পেলকমের সঙ্গে ফেসবুকের
আলোচনা চলছে। গ্রুপ পর্যায় থেকে
এখনও সবুজ সংকেত না পাওয়ায়
ইন্টারনেট ডট অর্গ প্রকল্পে যেতে
পারছে না বাংলালিংক।
প্রসঙ্গত, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী কথা ছিল
এ প্রকল্পে ইন্টারনেট ডট ওআরজি
অ্যাপের সাহায্যে মোবাইলে এবং
সরাসরি কম্পিউটারে বিনা খরচে
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
অ্যাপের মাধ্যমে অথবা সরাসরি
ইন্টারনেট ডট ওআরজিতে লগইন করে
সংশ্লিষ্ট সাইটে প্রবেশ করলে সেই
সাইটের বিস্তারিত দেখা যাবে।
অর্থাৎ ইন্টারনেট ডট ওআরজির
সাহায্যে লগইন করে চুক্তিব
প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা পেতে
ইন্টারনেট খরচ লাগবে না। প্রকল্পটি
চালু হওয়ার পর ইন্টারনেট ডট অর্গ
ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে অ্যাপটি। এ
প্রকল্পের আওতায় দেশের শীর্ষ
সংবাদপত্রসহ একাধিক সেবা
ইন্টারনেট খরচ ছাড়া পাওয়া যাবে
বলেও জানা হয়েছিল। মূলত
ইন্টারনেটকে কম খরচের মধ্যে আনা,
অল্প ডেটা ব্যবহার করে ওয়েবসাইট, নতুন
সব অ্যাপ ও স্মার্টফোনের ব্যবহার আরও
সহজলভ্য করতে ইন্টারনেটভিত্তিক এ
উদ্যোগ নেয়া হয়। ইন্টারনেটের ব্যবহার
বিশ্বে সহজলভ্য করতে ২০১৩ সালের ২১
আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়
ইন্টারনেট ডট ওআরজি প্রকল্প। আমাদের
সবাই সবখানে, পরস্পর যুক্ত (এভরিওয়ান
অব আস, এভরিহোয়্যার কানেকটেড) এমন
স্লোগানে চালু হওয়া এ উদ্যোগের
অন্যতম লক্ষ্য হল ৫০০ কোটি সাধারণ
মানুষকে ইন্টারনেটের আওতায় আনা।
বর্তমানে বিশ্বে ২৭০ কোটি মানুষ
ইন্টারনেট সেবা পায়। বিনা মূল্যে
ইন্টারনেট সেবার এ উদ্যোগে
ফেসবুকের পাশাপাশি রয়েছে
এরিকসন, মিডিয়াটেক, অপেরা,
স্যামসাং, নকিয়া ও কোয়ালকম। এ
প্রকল্পের নানা তথ্য পাওয়া যাবে
www.facebook.com/ Internet.org ঠিকানায়।
বাংলাদেশে যদি ভবিষ্যতে প্রকল্পটি
চালু হয় তাহলে বিনা মূল্যের এ
ইন্টারনেট ব্যবহার করে জাতীয় তথ্য
বাতায়ন, ফেসবুক, উইকিপিডিয়া
প্রভৃতি ওয়েবসাইট বিনা মূল্যে ব্রাউজ
করা যাবে। পরে এ তালিকায় যুক্ত হবে
স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চাকরি, যোগাযোগ,
ব্যবসাসহ স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি
নানান সেবার তথ্যও। ব্রাউজ করার জন্য
এসব সেবার অ্যাপ কিংবা ওয়েব
ব্রাউজার, দুটিই ব্যবহার করা যাবে।
বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে
বিনা মূল্যের ইন্টারনেট সেবা
পৌঁছে দিতে কাজ করছে ইন্টারনেট
ডট ওআরজি। চলতি বছরের মধ্যেই ১০০টি
দেশে এ সেবা চালু করার পরিকল্পনা
রয়েছে সংস্থাটির।
Monday, April 20, 2015
ফেসবুকে কমছে ভুয়া লাইক
ভুয়া লাইকের বিরুদ্ধে
যুদ্ধে জয়ী হওয়ার আভাস দিয়েছে
ফেসবুক। ফেসবুক জানিয়েছে, ভুয়া
লাইক নিয়ে ব্যবসা করছে, এমন অনেকেই
তাদের ভুয়া লাইকের কারবার বন্ধ
করতে বাধ্য হচ্ছে।
ভুয়া লাইক শনাক্ত করতে অত্যাধুনিক
প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েছে ফেসবুক। এই
প্রযুক্তি ব্যবহার করে সন্দেহজনক লাইক
শনাক্ত করার ক্ষেত্রে বেশ সফল হয়েছে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।
ফেসবুকের অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি
ম্যালওয়্যার কিংবা ভুয়া অ্যাকাউন্ট
ব্যবহার করে যে লাইক ব্যবসা হয়ে
আসছিল, তার বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাখছে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
ফেসবুকের নিরাপত্তা প্রকৌশলী এইচ
কেরেম জানান, "ভুয়া লাইকের
কারবারিরা নিয়মিতই নিত্যনতুন
কৌশল উদ্ভাবন করছে। আর তাই আমরাও
প্রতিনিয়তই নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করছি
তাদের প্রতিরোধ করতে।"
বিভিন্ন পেজ থেকে ভুয়া লাইক
অপসারণের পাশাপাশি সে সকল
পেজের অ্যাডমিনকেও বিষয়টি
সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে বলে
জানান কেরেম। তবে সমগ্র ফেসবুকে এই
ভুয়া লাইকের পরিমাণ খুবই কম।
ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া লাইক
ফেসবুক ব্যবহারকারী, বিজ্ঞাপনদাতা
এবং স্বয়ং ফেসবুকের জন্য ক্ষতিকর বলে
মন্তব্য করেন কেরেম। "ভুয়া লাইকের
হোতাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে
বেশ কঠোর অবস্থানে আছে ফেসবুক।
কারণ বিভিন্ন ব্যক্তি কিংবা ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান যারা আমাদের প্ল্যাটফর্ম
ব্যবহার করে, তারা সত্যিকারের
ফলাফল চায়।", মন্তব্য করেন কেরেম।
গেমিং পিসি কিনতে হলে যা জানা দরকার
গেমিং পিসি নিয়ে অনেক পোষ্ট হয়েছে। যে কেও অল্প কিছু জেনেই গেমিংপিসি নিয়ে পোষ্ট শুরু করে দেয়। যারা গেমিং সম্পর্কে জানেনা তারা এইসব পোষ্ট এর কারনে গেমিং সম্পর্কে ভুল ধারনা নিয়ে থাকে। ভেবেছিলাম পোষ্ট করব না, কিন্তু না করে এরপারলাম না। তাই গেমিংপিসি আমি এই পোষ্টটি করছি।গেমিং এর জন্য এর পার্টসগুলো সঠিক ভাবে সিলেক্ট করতে হবে। গেমিংএর প্রাণ হল প্রসেসর ও গ্রাফিক্সকার্ড। এরপর রয়েছে মাদারবোর্ড, রেম, মনিটর, কাসিং, পাওয়ারসাপ্লাই,মাউস ও কিবোর্ড। এগুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে। যদি বেশি ধারনা না থাকে তবে গেমিংপিসি কিনতে একজন এক্সপার্টকে সাথে নিতে হবে। না হলে দোকানদার আপনাকে ভাল করে বাঁশ দিবে।প্রসেসরবর্তমানে প্রসেসরের মধ্যে রয়েছে ইন্টেল এবং এএমডি তবে গেমিং এর জন্য ইন্টেল পারফেক্ট। যদিও দামে এবং কিছু ক্ষেত্রে এএমডি ইন্টেল থেকে এগিয়ে কিন্তু ওভারল পারফমেন্সে ইন্টেল এগিয়ে। তাই আমি গেমিং এর জন্য ইন্টেলকে বেছে নিয়েছি।প্রসেসরের ক্ষেত্রে আপনি কোর আই ৩/৫/৭ ২য় অথবা ৩য় জেনারেশন আপনি চোখ বুঝে নিতে পারেন।পারফেক্ট হবে কোর আই ৫যদি বাজেট বাড়াতে পারেন তবে নিতে পারেন কোর আই ৭আর যদি বাজেট কম হয় তবে নিতে পারেন কোর আই ৩গ্রাফিক্সকার্ডগেমিং গ্রাফিক্স কার্ড ছাড়া যেন অচল। কিন্তু আমাদের অনেকের গ্রাফিক্স কার্ড সম্পর্কে তেমন ধারনা নেই। প্রসেসরে যেমন ইন্টেল এবং এএমডি, তেমনি গ্রাফিক্সকার্ডের বেলায় রয়েছে এএমডি রাওডেন ও এনভিডিয়া। এএমডি রাওডেন ও এনভিডিয়া দুটোর পারফমেন্স একই শুধু ১৯/২০ ওভারলে কেউ কারো থেকে কম নয়। তাই আপনি এখানেও যে কোন একটি আপনার বাজেট অনুযায়ী নিতে পারেন।এএমডির সর্বশেষ সিরিজ হচ্ছে এইচডি ৭৯০০এনভিডিয়া ক্ষেত্রে জিটিএক্স ৬০০আপনাকে ৩ডির গেমিং এর জন্যএএমডির ৫৭০০/৬৭০০/৭৭০০ বা তার উপরের সিরিজের দিকে যেতে হবে। এবংএনভিডিয়ার ক্ষেত্রে জিটিএক্স ৪০০ বা তার উপরের সিরিজ।এর কম হলে চলবে কিন্তু আসল ৩ডি পারফমেন্সটি পাবেন না।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ gigabyte, msi, sapphire, asus,xfxমাদারবোর্ডভাল পারফমেন্স পেতে হলে একটি ভাল মাদারবোর্ড কিনতে হবে। ইন্টেলের ২য় এবং ৩য় জেনারেসন জন্য সকেট ১১৫৫ যা উভয় সাপোর্ট করবে।ভাল মাদারবোর্ডের ক্ষেত্রে আপনাকে পিসিআইই স্লটের সংখ্যা দেখে নিতে হবে। এখন সব গ্রাফিক্সকার্ডই পিসিআইই এক্স১৬ স্লটের। আপনি যদি একের অধিক গ্রাফিক্সকার্ড লাগাতে চান তবে আপনাকে একাধিক পিসিআইই স্লটের মাদারবোর্ড কিনতে হবে। এবং নতুন সবমাদারবোর্ডে ইউএসবি ৩.০ রয়েছে। সাউন্দের ক্ষেত্রে দেখতে হবে তা ৬ কিংবা ৮ চ্যানেল সাপোর্ট করে কিনা। এছাড়াও কিছু মাদারবোর্ডে বিলট ইন ওয়াইফাই, ব্লুটুথ রয়েছে।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ gigabyte, msi, asusরেমগেমিং এর জন্য আপনি ডিডিআর ৩ এর /১৬০০/১৮৩৩/২০০০/২১৩৩ মেগাহার্জ নিতে পারেন। ১৩৩৩মেগাহার্জ না নেওয়াই ভাল। বাজেটের মধ্যে ১৬০০মেগাহার্জ নিতে পারেন। তবে বাজেট বেশি হলে ১৮৩৩/২০০০/২১৩৩ মেগাহার্জ নিতে পারেন।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ corsair, transcend, twinmos, a-data, apacer,মনিটরমনিটর কেনার ক্ষেত্রে আপনাকে দেখে নিতে হবে এর ব্রাইটনেস, কন্ট্রাস্ট রেশিও এবং রেসপন্স টাইম। রেজুলেসনের ক্ষেত্রে আপনাকে ১৯২০*১০৮০ বেছে নিতে হবে। যত বড় মনিটর নিবেন গেমিং এ তত মজা পাবেন। সাইজ ২১.৫" থেকে ২৭" পর্যন্ত। বাজারে এখন ৩ডি মনিটর পাওয়া যায় তবে দাম একটু বেশি।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ samsung, lg, asus, dell, viewsonic, acerকেসিং ও পাওয়ারসাপ্লাইআমারা প্রায় কেসিং এর ক্ষেত্রে কম গুরুত্ব দেই। এবং পাওয়ারসাপ্লাই এর ব্যাপারেতো আরও কম। ভাল গেমিং পিসির জন্য ভাল কেসিং দরকার,ব্র্যান্ডের কেসিংগুলোর দাম একটু বেশি। তাই গেমিং পিসি কিনতে হলে আপনাকে আলাদা বাজেট রাখতে হবে কাসিং ও পাওয়ারসাপ্লাই এর জন্য। এখানে কৃপণতা করবেন তো পরে মরবেন। আপনার পিসির পাওয়ারসাপ্লাই কত ওয়াটের লাগবে তা জানার জন্য :www.extreme.outervision.com/psucalculatorlite.jspভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ gigabyte, thermaltake, xfxমাউস ও কিবোর্ডগেমিং এর জন্য আলাদা গেমিং মাউস ও কিবোর্ড রয়েছে। দাম একটু বেশি।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ logitech, a4-tech, gigabyte, genius,হার্ডডিস্কগেমিং এর জন্য আলাদা হার্ডডিস্ক রয়েছে, যেগুলো সাধারণ হার্ডডিস্ক থেকে দাম একটুবেশি।ভাল ব্র্যান্ডগুলো হলঃ western digital black, blue, greenপিসি কেনার ক্ষেত্রে সবসময় ভাল জিনিসগুলো কিনবেন। আর ভাল জিনিসের দাম সবসময় একটু বেশি থাকে।
কম দামে স্মার্টফোন কিনতে যা জানা দরকার
কম দামের স্মার্টফোন কেনার সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। বেশি দামের স্মার্টফোনের সঙ্গে তুলনা না করা, প্রয়োজনীয় ফিচারগুলো আছে কি না পরীক্ষা করে দেখা, হার্ডওয়্যার উন্নত কি না যাচাই করা, হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেম ও ফোন কেনার পরবর্তী সমর্থনগুলো জেনে নেওয়া অধিক জরুরি।
হাই-এন্ড স্মার্টফোনের সঙ্গে তুলনা
কম দামের বা বাজেট স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে, আপনি যে স্মার্টফোনটি কিনছেন তা হাই-এন্ড বা ফ্ল্যাগশিপ মডেলের কোনো স্মার্টফোন নয়। আপনার কেনা স্মার্টফোনটির সঙ্গে ওই ফোনের তুলনা করা ঠিক হবে না। কম দামের স্মার্টফোন কিনতে গেলে আপনাকে স্ক্রিনের রেজুলেশন, দ্রুতগতির প্রসেসর, র্যাম ও ক্যামেরার মান নিয়ে আপস করতে হবে। ব্যাটারির আয়ু কিংবা ফোনের নির্মাণ মানের সঙ্গেও উন্নত স্মার্টফোনের মিল পাবেন না। এই বিষয়গুলো মেনে নিয়েই কম দামের স্মার্টফোন কিনতে হবে।
প্রয়োজনীয় ফিচার
কম দামের স্মার্টফোন নির্মাতারা প্রয়োজনীয় বেশ কিছু ফিচার স্মার্টফোনে দেয় না। ইন্টারনাল স্টোরেজ চার গিগাবাইটের পরিবর্তে দুই গিগাবাইট দিয়ে দেয়। রেজুলেশন কমিয়ে দেয়। ৪.৭ ইঞ্চি মাপের স্ক্রিনের রেজুলেশন ৮০০ বাই ৪০০ পিক্সেলের কম হতে পারে। অনেক সময় ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথের মতো সুবিধাও থাকে না। ক্যামেরায় অটো ফোকাস সুবিধাও থাকে না। কম দামের স্মার্টফোন কেনার সময় আপনার দরকারি ফিচারগুলো সব আছে কি না তা যাচাই করে নেবেন।
হার্ডওয়্যার
কম দামের স্মার্টফোন শুধু নাম শুনে কেনার পরিবর্তে হার্ডওয়্যার যাচাই করে কিনুন। কম দামের ফোন মানে একেবারে নিম্নমানের হার্ডওয়্যার থাকবে তা ঠিক নয়। শুরুতেই প্রসেসর দেখে নিন। এখন সাশ্রয়ী স্মার্টফোনেও অক্টা কোর প্রসেসর পাওয়া যায়। র্যাম দেখে নিন। যত বেশি র্যাম হবে তত ভালো। স্মার্টফোনে বাড়তি জায়গার জন্য কার্ড লাগানো যাবে কি না তা যাচাই করে দেখুন। ইন্টারনাল স্টোরেজ বেশি হলে ভালো। এ ছাড়াও ডিসপ্লের রেজুলেশন ও আকার, ব্যাটারিতে চার্জ কতক্ষণ থাকে তা দেখে নিন।
হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেম
বাজারে সাশ্রয়ী ফোনের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েডচালিত বেশ কয়েকটি মডেলের ফোন, উইন্ডোজ ফোন ও পুরোনো মডেলের ব্ল্যাকবেরি ফোন পাবেন। স্মার্টফোন কেনার আগে আপনার ফোনটিতে হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেম আছে কি না তা যাচাই করে নিন। আপনার ফোনটি অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ সংস্করণ এলে তা সমর্থন করবে কি না তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
মনে রাখবেন, একেক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য হার্ডওয়্যারের প্রয়োজনীয়তা একেক রকম। উইন্ডোজ ফোনের সাম্প্রতিক সংস্করণগুলোতে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনায় (উইন্ডোজ ফোন ৮ এর ওপরে) প্রসেসর ও র্যাম কম হলেও অসুবিধা নেই। ফোনে থার্ড-পাটির কতগুলো অ্যাপ আগে থেকে ইনস্টল করা আছে তা পরীক্ষা করুন এবং তা সরানো যাবে কি না দেখে নিন। এই অ্যাপগুলো ফোনের পারফরম্যান্সে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
বিক্রয়োত্তর সেবা
অধিকাংশ স্মার্টফোনে এক বছর পর্যন্ত বিক্রয় পরবর্তী সেবার নিশ্চয়তা থাকে। কিন্তু কাছাকাছি সেবাকেন্দ্র না থাকলে এই ওয়ারেন্টি কোনো কাজে আসে না। আপনার পছন্দের স্মার্টফোনটির বিক্রয় পরবর্তী সেবার বিষয়টি ওই ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে কি না দেখে নিন। বর্তমানে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে স্মার্টফোনের খুচরা যন্ত্রাংশের অভাব দেখা যায়। (টাইমস অব ইন্ডিয়া)